হোম বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব মুখরোচক খাবার নদ-নদী দর্শনীয় স্থান কৃষি ব্যবস্থা পোস্ট

অবস্থান ও আয়তন

২৬৫.৮৯ বর্গকিলোমিটার (১০২.৬৬ বর্গমাইল) আয়তনের কুমারখালী উপজেলার পূর্বে খোকসা উপজেলা, পশ্চিমে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, উত্তরে পাবনা সদর উপজেলা এবং দক্ষিণে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলা অবস্থিত। গড়াই নদীর কোল ঘেসে এর অবস্থান।


ইতিহাস সম্পাদনা

কুমারখালী অনেক পুরনো একটি উপজেলা। ১৩টি পরগনা নিয়ে ১৮৫৫ সালে কুমারখালী থানা গঠিত হয়, যেটি ১৮৫৭ সালে পাবনার একটি মহকুমায় উন্নীত হয়; তবে ১৮৭১ সালে তা অবলুপ্ত হয়ে কুষ্টিয়া মহকুমার অংশ হিসেবে নদীয়া জেলার অন্তর্ভূক্ত হয়।[১] ১৯৮৩ সালে কুমারখালী থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়।[১] নামকরণ সম্পাদনা প্রচলিত মতানুসারে, কুমার নদের নাম আনুসারে এই এলাকার নামকরণ "কুমারখালী" হয়েছে।


ভৌগোলিক উপাত্ত

পদ্মা গড়াই বিধৌত সমতল অঞ্চল। নদী অববাহিকায় নবগঠিত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। তাছাড়া পুরাতন ভূমি এলাকায় তুলনামূলক নিচু বিল অঞ্চল রয়েছে। কুমারখালী উপজেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে পদ্মা নদী, গড়াই নদী, কুমার নদ, কালীগঙ্গা নদী, ও ডাকুয়া খাল নদী।[২][৩] কুমারখালী উপজেলাটি গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত।


সাংষ্কৃতিক বৈশিষ্ট্য

ছেঁউরিয়ায় দোলপূর্ণিমায় লালন ফকিরের স্বরণোৎসব ও বাউল মেলা। ২৫ শে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে মেলা। একুশে বইমেলা বৈশাখী মেলা


খেলাধুলা সম্পাদনা

কুমারখালীতে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা প্রচলিত রয়েছে যেমন- ফুটবল, ক্রিকেট, হাডুডু, লাঠিখেলা ইত্যাদি।


প্রশাসনিক এলাকা

১৮৭টি মৌজা ও ২০২টি গ্রাম নিয়ে গঠিত কুমারখালী উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন রয়েছে; এগুলো হলো পৌরসভাঃ কুমারখালী। ইউনিয়নঃ কয়া ইউনিয়ন, চরসাদীপুর ইউনিয়ন, চাপড়া ইউনিয়ন, চাঁদপুর ইউনিয়ন, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন, নন্দলালপুর ইউনিয়ন, পান্টি ইউনিয়ন, বাগুলাট ইউনিয়ন, যদুবয়রা ইউনিয়ন, শিলাইদহ ইউনিয়ন এবং সদকী ইউনিয়ন। নির্বাচনী এলাকা ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদনা সেলিম আলতাফ জর্জ - সংসদ সদস্য ৭৮কুষ্টিয়া - ৪ (কুমারখালী - খোকসা) উপজেলা চেয়ারম্যান- আব্দুল মান্নান খাঁন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান - আফজাল হোসেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা)- আনজুয়ারা জোসনাা

Creators

Tausif Masud

(Developer)

Abu Esha

(Designer)