|
Written by Administrator
|
|
Saturday, 09 May 2009 23:17 |
-
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানেই বিশ্বকবি, কবিগুরু। কিন্তু কুস্তিগির রবীন্দ্রনাথ! অবাক হলেও বালক রবিকে বাড়িতে পড়াশোনা, গান আর আঁকিবুঁকি করার পাশাপাশি আর যেটা শিখতে হতো, সেটা হচ্ছে কুস্তি। প্রায় প্রতিদিন ভোরে উঠে সে সময়ের বিখ্যাত কুস্তিগির হিরা সিংয়ের কাছে তালিম নিতেন রবি।
-
রবীন্দ্রনাথ এক জায়গায় বা একই বাড়িতে বেশিদিন থাকাটা পছন্দ করতেন না। আর তাই তিনি কখনো থাকতেন জোড়াসাঁকোতে, কখনো বা শান্তিনিকেতনে কিংবা চন্দননগর, কালিম্পংয়ে। আবার এসব জায়গায়ও তাঁর ছিল একাধিক বাড়ি। শুধু শান্তিনিকেতনেই তাঁর জন্য তৈরি হয়েছিল কয়েকটি বাড়ি। এসবের নামও চমৎকার−কোনার্ক, শ্যামলী, উদয়ন, পুনশ্চ, দেহলি, উদীচী প্রভৃতি।
-
ভানুসিংহ ঠাকুর ছাড়াও রবীন্দ্রনাথের আরও যে কিছু ছদ্মনাম ছিল, সেগুলো জানা আছে কি? না থাকলে জেনে নিন রবীন্দ্রনাথের অন্য ছদ্মনামগুলো: দিকশুন্য ভট্টাচার্য, অপ্রকটচন্দ্র ভাস্কর ও আন্নাকালী পাকড়াশি।
-
রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ফ্যাশন-সচেতন। বাড়িতে থাকাকালে তিনি পরতেন গেরুয়া বা সাদা রঙের জোব্বা আর পায়জামা। প্রার্থনা বা সভা-সমিতিতে যাওয়ার সময় জোব্বা ছাড়াও আরও ব্যবহার করতেন সাদা ধুতি, জামা ও চাদর। বৈশাখী উত্তরীয় ব্যবহারে থাকত ঋতুপ্রাধান্য। বর্ষায় উত্তরীয় হতো কালো বা লাল, শরতে সোনালি আর বসন্তে বাসন্তী। আবার কখনো জোব্বা ও উত্তরীয়র রঙের মধ্যে থাকত সামঞ্জস্য।
-
রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ‘বিশ্বকবি’ বিশেষণটি প্রথম ব্যবহার করেন ব্রਜ਼বান্ধব উপাধ্যায়। নিজের সম্পাদিত পত্রিকা সোফিয়াতে তিনি ১৯০০ সালে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে প্রবন্ধ লেখেন।
-
কবির প্রথম বই কবি কাহিনী প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর অগোচরেই; ১৮৭৮ সালের ৫ নভেম্বর। সে সময় কবি পড়াশোনার জন্য ছিলেন বিলেতে। বন্ধু প্রবোধচন্দ্র ঘোষ বইটি প্রকাশ করে কবির কাছে পাঠিয়েছিলেন।
-
রবীন্দ্রনাথ নিজেই নিজের বেশ কিছু প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন। আর সেসব আঁকার অভ্যাস করেছিলেন নিজের আলোকচিত্রের ওপর কলম-কালির ছবি এঁকে এঁকে।
-
রবীন্দ্রনাথের প্রথম অভিনয় ছিল জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের এমন কর্ম আর করব না নাটকে, ১৮৭৭ সালে। সে নাটকে রবীন্দ্রনাথের চরিত্র ছিল ‘অলীকবাবু’।
-
গ্রীষ্ক্নের দাবদাহ এড়াতে ১৩৪৩ বঙ্গাব্দে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্র-জন্েনাৎসব পালন শুরু হয় ২৫ বৈশাখের পরিবর্তে ১ বৈশাখ।
-
১৯২৮ সালে রবীন্দ্রনাথের জন্নদিন উপলক্ষে বিশ্বভারতী বিভিন্ন সাধারণ গ্রন্থাগার ও প্রতিষ্ঠানে কবির দেহের ওজনের সমপরিমাণ বই দান করে।
-
গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের জন্য নোবেল পান রবীন্দ্রনাথ। আমরা সেটাই জানি। কিন্তু একে বাংলা গীতাঞ্জলির অনুবাদ বলাটা ঠিক হবে না। কেননা, এটির মোট ১০৩টি রচনার মধ্যে বাংলা গীতাঞ্জলির ছিল ৫৩টি; বাকি ৫০টি গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া ও শিশু থেকে নেওয়া। ইংরেজি গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি থেকে, সং অফারিংস নামে, ১৯১২ সালের ১ নভেম্বর। ১৯১৩ সালে নোবেল পাওয়ার আগমুহুর্ত পর্যন্ত সেটির ১০ বার পুনর্মুদ্রণ হয়।
-
উদ্ভিদপ্রেমী রবীন্দ্রনাথের কবিতা-গানে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য বৃক্ষ আর ফুলের নাম। শুধু কাব্যেই উল্লেখ আছে ১০৮টি গাছ ও ফুলের নাম।
|
|
Last Updated on Friday, 03 September 2010 17:56 |