Skip to content

Narrow screen resolution Wide screen resolution Auto adjust screen size Increase font size Decrease font size Default font size
You are here :: Home arrow Kushtia: at a glance
এক নজরে কুষ্টিয়া জেলা Print E-mail
Sunday, 03 May 2009

অবস্থান

ভৌগোলিকভাবে কুষ্টিয়া জেলা 23° ২৯ © হতে 24° ১র্৩  উত্তর অক্ষাংশ এবং 88° ২৩ © হতে 89° ২২ © পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত ।

সীমানা

কুষ্টিয়া জেলার উত্তর পশ্চিম এবং উত্তরে পদ্মা নদীর অপর তীরে রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা জেলা, দক্ষিণে ঝিনাইদহ জেলা, পশ্চিমে মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং ভারতের নদীয়া  ও মুর্শিদাবাদ জেলা এবং পূর্বে রাজবাড়ী জেলা অবস্থিত। ভারতের সাথে কুষ্টিয়ার ৪৬.৬৯ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা আছে।

প্রশাসনিক ইউনিট

আয়তন: এ জেলার মোট আয়তন ১৬২১.১৫ বঃ কিঃ মিঃ।

উপজেলা: ৬ টি। কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, ভেড়ামারা এবং দৌলতপুর।

পৌরসভা: ৫ টি, এর মধ্যে কুষ্টিয়া ও কুমারখালী ১ম শ্রেণী, ভেড়ামারা ২য় শ্রেণী এবং

খোকসা ও মিরপুর ৩য় শ্রেণী ভুক্ত।

ওয়ার্ড: ৩৯ টি

ইউনিয়ন: ৬৬ টি

মৌজা: ৭০৭ টি

গ্রাম: ৯৭৮ টি

হাট/বাজার: ৩১০ টি

ভূমি অফিস: ৬৩ টি

প্রথম মহকুমা প্রশাসক: ডাবলু এইচ রাইল্যান্ড (১৮৬১)

জনসংখ্যা বিষয়ক তথ্য

মোট জনসংখ্যা: ১৯,২৭,৩০৫   (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে ১৭,৪০,১৫৫ জন )

পুরুষ: ৫১.৮৬%

মহিলা: ৪৯.১৪%

মুসলিম: ৯৫.৭২%

হিন্দু: ৪.২২%

অন্যান্য: ০.৬%

জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১০৭৩/বঃকিঃমিঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৪৭ %

সাক্ষরতার হার: ৪২.৪০%

পেশা

  • প্রধান পেশা ঃ কৃষি কাজ ৪১.৫%
  • কৃষি শ্রমিক ঃ ১৩.৯%
  • দিন মজুর ঃ ৪.৪৮%
  • তাঁতী ঃ ৩.৫৮%
  • শিল্প ঃ ১.১৪%
  • ব্যবসা ঃ ১৫.৩৪%
  • পরিবহণ শ্রমিক ঃ ২.০৫%
  • চাকুরী ঃ ৭.১৫%
  • নির্মাণ শ্রমিক ঃ ১.৪১%
  • অন্যান্য   ঃ       ৯.৪৫%

যাতায়াত ব্যবস্থা

পাকা রাস্তা: ৪৬৯.৯২ কিঃ মিঃ

আধাপাকা রাস্তা: ৫৪০.১ কিঃ মিঃ

কাঁচা রাস্তা: ২০৩১.৭ কিঃ মিঃ

নৌপথ: ২১০ কিঃ মিঃ

রেলওয়ে: ৪২.৫ কিঃ মিঃ

নদ-নদী

প্রধান নদীঃ পদ্মা, গড়াই কালীগঙ্গা, মাথাভাঙ্গা, কুমার, হিসনা, ইত্যাদি।

খালঃ তালবাড়ীয়া খাল, মোসা খাল, জিয়া খাল, বৌদাঙ্গী খাল, বরিশাল খাল ইত্যাদি।

বিলঃ বামন্দী বিল, আড়ুয়া বিল, পুঁটিমারা বিল, মৌলার বিল, বোয়ালিয়া বিল, তালবাড়ীয়া বিল, সমসপুর বিল, কাদিরপুর বিল, সোনাপাতিল বিল ইত্যাদি।

গড় বৃষ্টিপাতঃ ১২২.৪২ মিঃ মিঃ

কৃষি

মোট এলাকা (বঃকিঃমিঃ): ১৬২১.২৫(বঃকিঃমিঃ)

কৃষি ব্লকের সংখ্যা: ১৭৯টি

মোট কৃষক পরিবারের সংখ্যা: ২,৩৫,১০৪ টি

মোট জমি (হেঃ): ১,৬২,১২৫

মোট ফসলী জমির পরিমাণ (হেঃ): ১,১৫,৯৭৮

সেচ যন্ত্রের সংখ্যা (২০০৭-০৮): গভীর নলকূপ      ১২৭

অগভীর নলকূপ: ২২,৮৮৩

পাওয়ার পাম্প: ৫৫২

সেচকৃত জমির পরিমাণ (হেক্টর): ৭৯,১৬৪ (জিকে প্রকল্প সহ)

সেচকৃত জমির হার (%): ৬৮%

খাদ্য প্রয়োজন (৪৮৭ এম/চাল/গম): ৩,৪২,০৮১ মেঃটন

মোট খাদ্য উৎপাদন (চাউল+গম): ৪,৫৫,৯৫১ মেঃ টন

মোট খাদ্য চাহিদা: ৩,৮১,৬৯৪ মেঃ টন

উদ্বৃত্ত (+) ঘাটতি(-) মেঃটন: (+) ৭৪,২৫৭

প্রধান ফসল: ধান, আখ, তামাক, পাট, গম, ভূট্টা, সরিষা, ডাল ইত্যাদি

জলমহাল: ৩৮ টি

বালুমহাল: ২১ টি

সায়রাত মহাল: ২৯ টি

মৎস্যজীবীর সংখ্যা: ৩৯৬০ জন

মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সংখ্যা: ৩২ টি

পুকুরের সংখ্যা: ১২৪৩০ টি

বিল: ৫৪ টি

বাওড়: ৩ টি

নদীর সংখ্যা: ১১ টি

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা: ৬৯ টি

নার্সারীর সংখ্যা: ৮১ টি

মোট বিসিআইসি সার ডিলার সংখ্যা: ৭৫ জন


রপ্তানীকারক ফসল

১) তামাক, ২) পান, ৩) কলা, ৪)   আখ

শিল্প

১)       বৃহৎ শিল্প: ১৫ টি

২)       মাঝারী শিল্প: ৩৮ টি

৩)       ক্ষুদ্র শিল্প: ৫২১২ টি

৪)       কুটির শিল্প: ২১৮৩৭ টি।

বৃহ প্রকল্প

এ জেলায় ২ টি বৃহৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো ঃ

  • গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প (সেচ প্রকল্প) (১৯৫৪)
  • ভেড়ামারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ২ টি (ভেড়ামারাতে অবস্থিত) (১৯৭৬)


শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বিশ্ববিদ্যালয়: ১ টি

সরকারি কলেজ: ৩টি

বেসরকারি কলেজ: ৬০ টি (৪২টি এমপিও ভুক্ত)

বাণিজ্যিক কলেজ: ২ টি

পলিটেকনিক: ১ টি

সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: ০৩ টি

বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: ১৬৮ টি

নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৭২ টি

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট: ১ টি

বেসরকারি ক্রীড়া শিক্ষা কলেজ: ১ টি

মাদ্রাসা: ৬৩ টি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৪৩০ টি

রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়: ২৮৬ টি

কমিউনিটি বিদ্যালয়: ৩৭ টি

শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ১ টি

পিটিআই: ২ টি

ছাত্রছাত্রী - প্রাথমিক: ২৩৩০৫৫ জন

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান

জেনারেল হাসপাতাল: ১ টি, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ।

উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স: ৫টি (১টি ৫০ শয্যা এবং বাকী ৪টি ৩১ শয্যা বিশিষ্ট)

সকুল হেলথ সেন্টার: ১ টি

জেল হাসপাতাল: ১টি (২৭ শয্যা বিশিষ্ট) ।

সাবহেলথ সেন্টার: ২৮ টি

ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার: ৩৫ টি

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান

জেলা শিল্পকলা একাডেমি: ১টি

লালন একাডেমি: ১টি

শিশু একাডেমি: ১টি

পাবলিক লাইব্রেরী: ২৬টি

উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি: ৫টি

ক্লাব: ২০৪টি

সঙ্গীত কলেজ: ১টি

যাত্রা দল: ২টি

নাট্যদল: ১১টি

সিনেমা হল: ১৬টি

অন্যান্য বিষয়

মসজিদ: ২৬৫ টি

মন্দির: ৩০ টি

গীর্জা: ১ টি

এতিমখানা: ২ টি

স্টেডিয়াম: ১ টি

ধান চাল সংগ্রহ সংক্রান্ত তথ্যাদি

(২০০৮ সাল)

লক্ষ্যমাত্রা (মেঃ টন)

সংগৃহীত পরিমাণ (মেঃ টন)

ধান

চাল

ধান

চাল

২১০৫

২৯৬৬৬

১৩৭৯

২৬৭০০

ভোটার তালিকা সংক্রান্ত তথ্যাদি

মোট ভোটার সংখ্যা: ১১,৭১,৪২৭ জন

পুরুষ ভোটার সংখ্যা: ৫,৭২,৯৬৩ জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা: ৫,৯৮,৪৬৪ জন

ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৫০৩ টি


সংবাদপত্র

কুষ্টিয়া জেলায় নিয়মিত দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। যার মধ্যে দৈনিক ২০টি, সাপ্তাহিক ২০ টি এবং মাসিক ৩ টি। উল্লেখযোগ্য পত্রিকাগুলো হলো দৈনিক আন্দোলনের বাজার, দৈনিক হাওয়া, দৈনিক বজ্রপাত, দৈনিক আজকের আলো, দৈনিক দেশতথ্য, সাপ্তাহিক দেশব্রতী ইত্যাদি।


শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত পশ্চিম বাঙলার সমৃদ্ধ কুষ্টিয়া জেলাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই কুষ্টিয়া শিল্প ও সাহিত্য ও সংসকৃতিতে বাংলাদেশকে করেছে সমৃদ্ধ। এছাড়াও বিষাদ সিন্ধুর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন এবং বাউল সম্রাট লালনের তীর্থভূমি, পুরাতন কুষ্টিয়া হাটশ হরিপুর গ্রামে গীতিকার, সুরকার ও কবি আজিজুর রহমানের বাস্তুভিটা ও কবর, এ জনপদে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট কবি দাদ আলী, লেখিকা মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা, "এই পদ্মা এই মেঘনা" গানের রচয়িতা আবু জাফর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান, কুষ্টিয়ার সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠাতা কাঙাল হরিণাথ, নীল বিদ্রোহের নেত্রী প্যারী সুন্দরী, ¯^‡`kx আন্দোলনের নেতা বাঘা যতিন, প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সঙ্গীত শিল্পী মোঃ আব্দুল জব্বার, ফরিদা পারভীন সহ অসংখ্য গুণীজনের পীঠস্থান কুষ্টিয়াকে সমৃদ্ধ করেছে।


নামকরণ

কুষ্টিয়ার নামকরণ নিয়ে রয়েছে নানা কাহিনী। কুষ্টিয়ায় একসময় কোষ্টার (পাট) চাষ হত বলে কোষ্টা শব্দ থেকে কুষ্টিয়া নামকরণ হয়েছে। হেমিলটনের গেজেটিয়ারে উল্লেখ আছে যে স্থানীয় জনগণ একে কুষ্টি বলে ডাকত বলে এর নাম হয়েছে কুষ্টিয়া। অনেকের মতে ফরাসি শব্দ" কুশতহ" যার  অর্থ ছাই দ্বীপ থেকে কুষ্টিয়ার নামকরণ হয়েছে। সম্রাট শাহজাহানের সময় কুষ্টি বন্দরকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া শহরের উৎপত্তি ঘটেছে।

জেলা হিসেবে অভ্যুদয়

১৭২৫ সালে কুষ্টিয়া নাটোর জমিদারীর অধীনে ছিল এবং এর পরিচিতি আসে কান্ডানগর পরগণার রাজশাহী ফৌজদারীর সিভিল প্রশাসনের অনর্ত্মভূক্তিতে। পরে বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৭৭৬ সালে কুষ্টিয়াকে যশোর জেলার অনত্মর্ভূক্ত করে। কিন্তু ১৮২৮ সালে এটি পাবনা জেলার অন্তর্ভূক্ত হয়। ১৮৬১ সালে নীল বিদ্রোহের কারণে কুষ্টিয়া মহকুমা প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৮৭১ সালে কুমারখালী ও খোকসা থানা নিয়ে কুষ্টিয়া মহকুমা নদীয়ার অর্ন্তগত হয়। ভারত উপমহাদেশ বিভক্তির পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার আওতায় একটি মহকুমা ছিল। ১৯৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার অভ্যুদয় ঘটে। তখন কুষ্টিয়া জেলা ৩ টি মহকুমা নিয়ে গঠিত ছিল। এগুলো কুষ্টিয়া , চুয়াডাঙ্গা এবং মেহেরপুর। এরপর ১৯৮৪ সালে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর আলাদা জেলা হিসেবে পৃথক হয়ে গেলে কুষ্টিয়া মহকুমার ৬ টি থানা নিয়ে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা গঠিত হয়।


 

Slide Show

Login Box

Log In / Sign Up