|
কুমারখালী দারিদ্র বান্ধব পাঠাগার |
|
|
|
Wednesday, 17 December 2008 |
জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতির সংগে সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশের প্রধান মাপকাঠি পাঠাগার। কুষ্টিয়া জেলার পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কুমারখালীর স্থান শীর্ষদেশে অবস্থান করে। ১৮৭২ সালে (বাং ১২৭৮ সন) কুমারখালীতে 'দরিদ্র বান্ধব পাঠাগার' স্থাপিত হয়। এটিই এ জেলার প্রথম পাঠাগার।
দরিদ্র বান্ধব পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুকুন্দলাল সাহা যিনি দীর্ঘকাল এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দরিদ্র বান্ধব পাঠাগারের সভাপতি রায় বাহাদুর জলধর সেন ও সম্পাদক হিসাবে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের নাম উল্লেখযোগ্য। কুমারখালী দরিদ্র বান্ধব পাঠাগারের নাম পরিবর্তন করে ১৯৫২ সালে রাখা হয় উন্নয়ন মজলিস। এর সম্পাদক ছিলেন মরহুম আবদুর রহীম। ১৯৫৬ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় 'চিরন্তনী পাঠাগার' যার সম্পাদক ছিলেন চিত্তরঞ্জন চৌধুরী। রায় বাহাদুর জলধর সেনের বড় ভাইয়ের পুত্র দেবেন্দ্রনাথ সেন ছিলেন এর অবৈতনিক লাইব্রেরীয়ান। ১৯৬০ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইকবাল ক্লাব এবং ১৯৬১ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে 'কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরী' নামকরণ করা হয়। কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরীর সম্পাদক মহঃ আবদুল লতিফ (১৯৬৩-১৯৭৩) লইব্রেরীটিকে সুপ্রতিষ্টিত করেন। দরিদ্র বান্ধব পাঠাগারের অনেকগুলি মূল্যবান গ্রন্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করা হয়। কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরীর বর্তমান সম্পাদক মীর আমজাদ আলী (১৯৭৬-বর্তমান)।
তথ্য সুত্রঃ
কুষ্টিয়ার ইতিহাসশ. ম. শওকত আলী |