|
Monday, 01 December 2008 |
পদ্মা-গড়াই-কালী নদীর অববাহিকার পলিমাটি কুমারখালীর প্রাণে এনেছে সঞ্জীবনী ধারা। ইংরেজ, নীলকর আর তার ক্রান্তিকালের হিন্দু জমিদার শ্রেণীর উদ্ভব ও বিকাশের ধারায় এখানকার সংস্কৃতিতে এসেছে মিশ্র অনুভাবনা। রাজনীতি, বিপ্লব, বিদ্রোহ, ধর্মচর্চা, মনন ও মানসিকতায় এর স্বাতন্ত্র্য এনে দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে। রবীন্দ্রনাথ, মীর মোশাররফ, জলধর সেন এবং আরো অনেক মনীষীর কর্মে ও জন্মে এ মাটি ধন্য। বিপ্লবী বাঘা যতীন এবং ওহাবী আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ কাজী মিয়াজান আমাদের চেতনার অগ্নিশিখা। লালন-কাঙাল হরিনাথ আমাদের লোকায়ত শিল্প ও মরমী চেতনায় সমৃদ্ধ করেছে।
সর্বোপরি, পদ্মা-গড়াই বিধৌত কুমারখালী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রাণ কেন্দ্র। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবীদের জন্ম ও পদস্পর্শে এ মাটি ধন্য ও গর্বিত। যারা কুমারখালী ডট কম তৈরীতে সহযোগিতা করেছেঃ
তিনি ১৯৭৯ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার সাঁওতা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি সাঁওতা প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ইসলামিয়া কলেজ থেকে যথাক্রমে প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তারপরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যাল থেকে কম্পিউটার সাইন্স এণ্ড ইণ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে যথাক্রমে বিএসসি অনার্স এবং মাষ্টার্স শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কর্মজীবণ হিসাবে ওয়েব প্রোগ্রামিং বেছে নেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যেগে ২০০৬ সাল থেকে কুমারখালী ডট কমের কাজ শুরু করেন। এজন্য সবার সাহায্য-সহযোগিতা একান্য কাম্য। বিশেষ করেঃ তথ্য সজ্জা, নির্ভূল সংযোজন ইত্যাদি।
তিনি ১৯৪৬ সালে ১৩ আগষ্ট অবিভক্ত নদীয়া জেলার মায়াপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী। পৌর এলাকায় অবস্হিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কুমারখালী কল্যাণ ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি পাবলিক লাইব্রেরীর সম্পাদক পদে অধিষ্টিত আছেন।
|