Skip to content

Narrow screen resolution Wide screen resolution Auto adjust screen size Increase font size Decrease font size Default font size
You are here :: Home arrow Muktijuddho arrow Muktijuddho In Kumarkhali
Muktijuddho In Kumarkhali Print E-mail
Monday, 21 July 2008

মুক্তিযুদ্ধে কুমারখালী

লেখকঃ শেখ মোসলেম উদ্দিন


কুমারখালী বৃটিশ শাসিত পাবনা ও অবিভক্ত নদীয়া জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম জনপদের নাম। অতীতে অনেক সংগ্রামী মনীষীদের পদস্পর্শে ধন্য এই কুমারখালী। অবিভক্ত বাংলায় অতীতে সকল বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন অনেক বিপ্লবী। সেরুপ কুমারখালীর জনগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী গণতান্ত্রিক নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে নানা প্রহসনের আশ্রয় নিয়ে বাঙালী জাতির সাথে করলো চরম বিশ্বাস ঘাতকতা। রাতের অন্ধকারে নিরস্ত্র বাঙালী জাতির উপর ঝাপিয়ে পড়লো বর্বর হানাদার বাহিনী। বিশ্বের ইতিহাসের সব চেয়ে নির্মম ও জঘন্য হত্যাকান্ড সংঘটিত হলো একাত্তর সালের পঁচিশে মার্চের মধ্যরাতে। বর্বর হানাদার বাহিনীর ট্যাংক, মেশিনগান, কামান, সাজোয়াগাড়ী নিয়ে ঢাকাসহ বাংলাদেশের সকল জেলাশহরে ঝাপিয়ে পড়ে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করলো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাঙ্গালী বীর ছাত্র-জনতাকে নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে বর্বর পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানালেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সারা দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী বীর ছাত্র-জনতা তাদের প্রস্তুতি চালিয়ে গেলেন। অতীতের যেকোন আন্দোলনের ন্যায় স্বাধীনতা সংগ্রামেও আমাদের কুমারখালীর ছাত্র-জনতা স্বধীনতা সংগ্রামে অংশ গ্রহণে পিছিয়ে থাকেনি। ১লা মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠনের মাধ্যমে "জয় বাংলা বাহিনী" গঠন করার আহ্বার জানিয়েছিলো। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের কুমারখালীতে রেজাউল করিম হান্নানকে আহ্বায়ক করে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। আ.স.ম.ম. ওয়াহেদ পান্না স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। নন্দ, গনি, মঞ্জু, ছাত্তার, পরিমল, মোফাজ্জেল, মকবুল, রফিক, আঃ রশিদ ঝন্টু, আলম, টুনু, রুহুল, এনামুল ও ফজলুল করিম প্রমুখ ছাত্র নেতাদের নেতৃত্বে অগণিত ছাত্র যুব কর্মীদের সমন্বয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে জয় বাংলা বাহিনী গঠন করা হয়।

কেন্দ্রীয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ঢাকা ইউনিভার্সিটির বটতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের পর পরই কুমারখালী স্হানীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক রেজাউল করিম হান্নানের আহ্বানে স্হানীয় জে,এন,হাই স্কুলের ময়দানে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৩শে মার্চ আন্দোলনে নিহত শহীদের উদ্দেশ্যে গায়েবানা জানাজার মধ্য দিয়ে সমগ্র কুমারখালী শহরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়ানো হয়। স্হানীয় জনসাধারণের পতাকা তৈরির ব্যাপারে সমস্যা দেখা দিলে আমি(লেখক) তৈরি করে সরবরাহ করি। আমাকে এই কাজে সহযোগিতা করেন আ,স,ম, ওয়াহেদ পান্না, নন্দ, মকবুল ও কামাখ্যা চরণ প্রামাণিক।


..............

 

Slide Show

Login Box

Log In / Sign Up