|
Sunday, 03 May 2009 |
|
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় |
|
|
|
|
Sunday, 03 May 2009 |
|
১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভা গঠিত হয়। কুষ্টিয়ার বিখ্যাত নীলকর টি. আই কেনী নীল ব্যবসার স্বার্থে এ শহরে একটি বিশাল ভবন নির্মাণ করেন। ২১০ একরের উপর নির্মিত এ ভবনের কক্ষ ছিল ৫০টি যা ক্রিসেন্ট বিল্ডিং নামে পরিচিত ছিল। এখানেই নব গঠিত কুষ্টিয়া মহকুমা দপ্তর, কোর্ট ও মিউনিসিপ্যাল দপ্তর গড়ে উঠে। তবে বর্তমানে ভবনটি জরাজীর্ণ। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে এ শহরের এক বিত্তবান জমিদার সতীশ শাহর বাড়ীতে বর্তমান পৌরভবনটি স্থানান্তর করা হয়। |
|
|
Sunday, 03 May 2009 |
|
গড়াই নদীর উপর ১৮৭১ সালে রেল সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ১৮৭২ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হলে গোয়ালন্দ পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালু হয়। বর্তমানে এর পাশেই নির্মিত হয়েছে প্রাক্তন সংসদ সদস্যের নামানুসারে সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সড়ক সেতু। |
|
|
Sunday, 03 May 2009 |
|
ব্রিটিশ আমলে কুষ্টিয়ার সাথে কলকাতার রেল যোগাযোগ ছিল। ১৯০৯ সালে পদ্মা নদীর উপর ভেড়ামারা-পাকশি রেল সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৫ সালে শেষ হয়। তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। ব্রিজটি এক কিলোমিটার এবং এতে ১৮টি স্প্যান আছে। এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহতম রেল সেতু। ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর বোমার আঘাতে এর দুটি স্প্যান নষ্ট হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে পুনরায় তা মেরামত করা হয়। বর্তমানে এর পাশেই লালন শাহ্ সেতুর অবস্থান। |
|
|
Sunday, 03 May 2009 |
|
সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে নির্মিত সদর উপজেলার স্বস্তিপুর গ্রামে চারটি পিলার ও চারটি মিনার বিশিষ্ট এ মসজিদটি বহুদিন ধরে জঙ্গলে ঢাকা ছিল। জনশ্রুতি আছে যে এ গ্রামের আদি নাম ছিল শায়েস্তাপুর। শায়েস্তা খাঁর আমলে এ গ্রামের পাশ দিয়ে একটি শাহী সড়ক ছিল যা পশ্চিম বাংলার কৃষ্ণনগর থেকে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা হয়ে ফরিদপুরের ভিতর দিয়ে ঢাকা পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। |
|
|
|
<< Start < Prev 1 2 Next > End >>
|
| Results 1 - 11 of 13 |