|
Wednesday, 17 December 2008 |
জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতির সংগে সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশের প্রধান মাপকাঠি পাঠাগার। কুষ্টিয়া জেলার পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কুমারখালীর স্থান শীর্ষদেশে অবস্থান করে। ১৮৭২ সালে (বাং ১২৭৮ সন) কুমারখালীতে 'দরিদ্র বান্ধব পাঠাগার' স্থাপিত হয়। এটিই এ জেলার প্রথম পাঠাগার। |
|
Read more...
|
|
|
Sunday, 19 October 2008 |
অবিভক্ত বাংলার দ্বিতীয় নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম - কুমারখালী বালিকা বিদ্যালয় উপমহাদেশের বাঙ্গালী নারী জাগরনের অন্যতম পথিকৃত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৫৮ খৃষ্টাব্দে নদীয় জেলা শহর কৃষ্ণনগরে প্রথম বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তারও পূর্বে কলিকাতা শহরে ১৮৪৯ খৃষ্টাব্দে বৃটিশ শিক্ষানুরাগী ড্রিঙ্ক ওয়াটার বীটন তাদের মেয়েদের সাথে সাথে বাঙ্গালী মেয়েরাও যাতে ইংরেজি শিক্ষায় পারদর্শী হতে পারে এজন্য প্রথম গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ঐ স্কুলে বাঙ্গালী মেয়েরা সংস্কৃতি, ভাষা ও সুচের কাজের অভিজ্ঞতাও অর্জন করে।
|
|
Read more...
|
|
|
Thursday, 24 July 2008 |
কুমারখালীর শিক্ষাভূমিকাঃশিক্ষা ও সাহিত্য মানুষকে বাঁচতে শেখায়। শিক্ষা ও সাহিত্য মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে। মানুষ নিজেকে চিনতে পারে শিক্ষার গুণে। শিক্ষ মানুষের ভেতরের পশুত্বকে বিনাশ করে মহা-মানবে রুপায়িত করে। অখন্ড বাংলার শিক্ষার ইতিহাস পর্যালোচনা করতে গেলে কুমারখালীর নামটি প্রথমেই এসে যায়। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্হার রুপরেখার যেমন একটি ক্রমবিকাশের পরিচয় মেলে। প্রাচীন কালের তেমন হদিস পাওয়া যায় না। |
|
Read more...
|
|
|